Tuesday, December 22, 2020

 

যারা ভাবছেন যে ইসলামিক আগ্রাসন শুধু কাশ্মীর, পশ্চিমবঙ্গ, আসাম আর কেরালাতেই সীমাবদ্ধ তাদেরকে জানিয়ে রাখি যে আসামে মুসলিম জনসংখ্যা ২৫% থেকে ৩৪% হয়েছে। কেরালায় এই বৃদ্ধি ১৭% থেকে ২৭%। পশ্চিমবঙ্গের ক্ষেত্রে ২০% থেকে বেড়ে ২৭%। এবার আসি বাকি রাজ্যগুলির ক্ষেত্রে, পশ্চিম উত্তরপ্রদেশের আলওরে মুসলিম জনসংখ্যা ৬% থেকে বেড়ে ১৫%। গুরগাঁও ও মেয়ঠ মিলে হিন্দু জনসংখ্যার ০-৪ বছরের মধ্যেকার সংখ্যা ৫০ শতাংশের কম। খোদ দিল্লীকে আজ দক্ষিণ পশ্চিম দিকে মেয়ঠ আর উত্তর পূর্ব দিকে দোয়াব দ্বারা ঘিরে ফেলা হচ্ছে।
উত্তর দোয়াব ও রোহিলখণ্ডেও ইসলামিক আগ্রাসন ভয়াবহ রূপ ধারণ করেছে যা পূর্বে আম্বালা, কার্ণাল ও তড়াই অয়োধ পর্যন্ত বিস্তৃত। বাহরিচ ও বলরামপুর ইতিমধ্যেই নিয়ন্ত্রণের বাইরে চলে গেছে। পশ্চিম উত্তরপ্রদেশের দক্ষিণ ভাগে অবস্থিত আলিগড়ে গত ১০ বছরে হিন্দু জনসংখ্যা কমেছে ৩%। পুর্বে বাড়াবাঁকি, সিদ্ধার্থনগর আর সীতাপুরের অবস্থাও তথৈবচ।
উত্তরাখন্ডে হরিদ্বার ও শহীদ উধম সিং নগর জেহাদি আগ্রাসনের শিকার। পরবর্তী লক্ষ্য নৈনিতাল। উত্তরাখন্ডে মুসলিম জনসংখ্যা ৫ শতাংশ থেকে বেড়ে ১৩ শতাংশে পৌছে গেছে। জম্মুর রামবন, রাইসি, রাজৌড়ি, ডোডা ও কিস্তাহার এই আগ্রাসনের শিকার। লাদাখ ও নুব্রাতেও ক্রমেই বাড়ছে আগ্রাসন।
বিহারে গঙ্গার উত্তরভাগ প্রায় পুরোপুরিভাবে জেহাদিদের দখলে চলে গেছে। কিষণগঞ্জ, কাটিহার, আড়া, পূর্ণিয়া এখন জেহাদিদের দখলে। মধুবনি, দ্বারভাঙ্গা এবং দুই চম্পারন জেলাই আস্তে আস্তে জেহাদিদের গ্রাসে চলে যাচ্ছে।
মহারাষ্ট্রের ছবিও আলাদা কিছু নয়। খোদ মুম্বাই জেলায় হিন্দু জনসংখ্যার ০-৪ বছরের মধ্যেকার সংখ্যা মাত্র ৫৩ শতাংশে এসে পৌঁছেছে। ঔরঙ্গাবাদেরও একই দশা। কর্ণাটকের উপকূল এলাকাগুলি ইতিমধ্যেই ইসলামিক বহুল হয়ে গেছে। তামিলনাড়ুর রামনাথপূরম থেকে কন্যাকুমারী পর্যন্ত উপকূল অঞ্চলও যেকোনদিন জেহাদি কবলে চলে যাবে।
দেশভাগের সময় পূর্ব ও পাকিস্তানে এবং স্বাধীন ভারতের কাশ্মীরে হিন্দুরা সংখ্যালঘু হওয়ার তাদের পরিণতি কি হয়েছিল সেটা কতজনের মনে আছে? এরপরেও কতজন শুধু প্রশাসনিক নিরাপত্তার ভরসায় বসে থাকবে? তবে হ্যাঁ, একটা ভাল দিক আছে, কেন্দ্রীয় সরকার কিছুদিন একটা ফৌজদারি আইনে কিছু পরিবর্তন করায় আজকের দিনে আত্মহত্যা আর কোন অপরাধ নয়। আপনি শুধু প্রশাসনের ভরসায় আপনার বর্তমান ও ভবিষ্যৎ প্রজন্মকে নিরাপদ ভাবতেই পারেন কিন্তু আপনার এই ভ্রান্ত ধারণার ফাঁদে না পরে এই রাজ্যের হিন্দুদের সাথে দেশভাগ বা কাশ্মীরি হিন্দুদের পরিণতির পুনরাবৃত্তি রুখতে তাদের লড়াই চালিয়ে যাওয়াটা অত্যন্ত আবশ্যিক।
আর হ্যাঁ, উপরের সব তথ্যগুলোই ২০১১ সালের জনগণনার ভিত্তিতে লেখা। গত ১০ বছরে গঙ্গা, গোদাবরী আর ব্রহ্মপুত্র দিয়ে আরও অনেক জল বয়ে গেছে। এই বিষয়ে Priyadarshi দা'র একটি লেখা যা আজকে আসাম থেকে প্রকাশিত গতি দৈনিক কাগজে প্রকাশিত হয়েছে।

No comments:

Post a Comment